ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মানস ন্যাশনাল পার্ক: যেখানে বন্যতা এখনও মুক্ত । আসামের এই স্বর্গকে অনুভব করুন ২০২৬ এর দোলের ছুটিতে 27th Feb কলকাতা থেকে কামরূপ ধরে যাত্রা শুরু আবার 4th March কামরূপ ধরে বাড়ির উদ্যেশ্যে রওনা।
🔸প্রথম দিনঃ- সন্ধ্যার (৬:৩০) কামরূপ এক্সপ্রেস ধরে আমরা রওনা হবো মানস ন্যাশনাল পার্কের উদ্দেশ্যে ।
🔸দ্বিতীয় দিন - এইদিন সকালে (১১:৪৮) নামতে হবে বরপেটা রোড স্টেশনে। সেখান থেকে গাড়ি চেপে আমরা মানসের উদ্দেশ্যে রওনা দেবো । স্টেশন থেকে হোটেলের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার এর মতো । আমাদের রিসর্ট একদম জঙ্গল লাগোয়া । সুন্দর সাজানো গোছানো রুম । রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে স্নান সেরে , দুপুরে মাছভাত সহ লাঞ্চ করে বিকালে আমরা টোটো নিয়ে মানস নদীর ধারে যাব । সন্ধ্যায় রিসর্টে ফিরে আড্ডা গল্প। রাত্রিবাস বাঁশবাড়িতেই রিসোর্ট এ।
🔸তৃতীয় দিন - এই দিন সকাল সাতটায় বেড টি, তারপর ফ্রেশ হয়ে আটটায় ব্রেকফাস্ট করে আমরা বেরিয়ে পড়ব সারাদিনের সাফারির জন্য । প্রথমে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ২২ কিমি রাস্তা ধরে সোজা মাথানগুড়ি। এই রাস্তায় প্রচুর বন্যপ্রাণী দেখা যায়। হাতি গন্ডার বাইসন ময়ূর ইত্যাদি তো আছেই। ভাগ্য ভালো থাকলে বাঘ এবং ব্ল্যাক প্যান্থার এর দেখাও পাওয়া যাবে । সন্ধ্যায় রিসোর্টে ফিরে ফের আড্ডা গল্প। রাত্রিবাস বাঁশবাড়িতেই রিসোর্ট এ ।
🔸চতুর্থ দিন - এই দিন সকালে কেউ চাইলে হাতি সাফারিও করতে পারেন (খরচ নিজস্ব)। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার থেকে শুরু করে দুর্লভ পাখির আবাস— সব দেখা যায় মানসের এই ঐতিহ্যবাহী সাফারি থেকে । চারপাশের নীরবতা আর কেবলই হাতির হেঁটে চলার শব্দ। প্রকৃতির সবচেয়ে খাঁটি রূপ দেখতে মানস ন্যাশনাল পার্কের হাতি সাফারি অপরিহার্য । এটি শুধু একটি সাফারি নয়, এটি মানসের বন্য হৃদয়ের একটি যাত্রা। প্রতিটি ক্ষণ ক্যামেরাবন্দী করার মতো । হাতি সাফারি থেকে ফিরে রেস্ট নিয়ে তারপর দুপুরের লাঞ্চ সেরে আমরা যাব মানসের পশ্চিম দরজা— ভূইয়াপাড়া রেঞ্জের ইভিনিং সাফারিতে । মানসের সেই বিশেষ কোণ, যেখানে তৃণভূমির বিস্তার আর বন্য প্রাণীর অবাধ বিচরণ সবচেয়ে বেশি। যেখানে প্রতিটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে আছে জীবন। রাত্রিবাস বাঁশবাড়িতেই।
🔸পঞ্চম দিন - এই দিন ভোর পাঁচটায় রওনা দেবো কাইটোমা রেঞ্জের সাফারির উদ্দেশ্যে । সঙ্গে শুকনো খাবার রাখবেন এই দিন ব্রেকফাস্ট হবে না । মানসের কাইতোমা। অনেকেই হয়তো এই রেঞ্জের কথা জানে না, কিন্তু এর সৌন্দর্য আর বন্যতার ঘনত্ব অনবদ্য। যারা বন্য প্রকৃতিকে তার আসল রূপে দেখতে চান, তাদের জন্য সেরা ঠিকানা।
সাফারি থেকে ফিরে রিসোর্ট এ মাছ ভাত সহ লাঞ্চ । লাঞ্চের পর অনেকটাই ফ্রি টাইম থাকবে আপনারা চাইলে চারিপাশটা ঘুরে দেখতে পারেন এবং কিছু স্থানীয় জিনিস কেনাকাটাও সেরে নিতে পারেন ।
🔸ষষ্ঠ দিন - ব্রেকফাস্ট করে রওনা দেব বরপেটা রোড স্টেশন এর উদ্দেশ্যে । বরপেটা রোড স্টেশন থেকে আমাদের ট্রেন সকাল ১১: ১৭ মিনিটের কামরূপ এক্সপ্রেস। যেটা হাওড়া পৌঁছাবে পরদিন ভোর ৪:৪০ মিনিটে ।
🚨 ভুটান ঢোকার জন্য প্রত্যেকের অরিজিনাল পরিচয়পত্র সাথে রাখতে হবে। ভোটার বা আধার কার্ড। অন্যথায় ভুটান ঢুকতে পারবেন না।
👉এই ট্যুরে মাথাপিছু খরচ ১৫৯৯৯/- টাকা
থাকছে তিনটে সাফারি , জঙ্গল পারমিশন এবং প্রথম দিন ব্রেকফাস্ট থেকে শেষ দিন ব্রেকফাস্ট পর্যন্ত, রুম, গাড়ি ও জঙ্গলের সমস্ত খরচ(জঙ্গলের গাড়ি সহ) ধরা আছে এর মধ্যে। শুধু ট্রেন ফেয়ার ও ট্রেন ফুডের খরচ প্যাকেজে ধরা নেই। আগ্রহীরা অবশ্যই তাড়াতাড়ি জানাবেন । সিট সংখ্যা সীমিত ।
Advance Payment - 2000 per Head
Advance Money Is Not Refundable
🛑 ট্রেনের টিকিট ছাড়বে ২৯ এ ডিসেম্বর 2025
Jeep Safari Timings -
সকাল - 06:30 - 9:30 পর্যন্ত
দুপুর - 02:00 PM - বিকাল 5:00 PM পর্যন্ত
Elephant Safari Timings -
06:00 AM - 7:00 AM | 7:00 AM - 8:00 AM
#manasnationalpark #UNESCO #unescoworldheritage #nationalparks #assam #touristattraction #tigerreserve