

# Event Details

- **Event Name**: প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া
- **Event Start and End Date**: Fri, 28 Aug, 2026 at 06:00 am – Sat, 29 Aug, 2026 at 09:59 pm
- **Event Description**: পাহাড়পুর বোদ্ধবিহার।
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন।
ইউনেস্কোর মতে পাহাড়পুর বিহার বা সোমপুর বৌদ্ধ বিহার দক্ষিণ হিমালয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার। আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে। এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্ম শিক্ষাদান কেন্দ্র ছিল। শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, বরং চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন। খ্রিস্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের স্বীকৃতি প্রদান করে।


পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)-এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার। এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। অপরদিকে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে এর দূরত্ব পশ্চিমদিকে মাত্র ৫ কিলোমিটার। গ্রামের মধ্যে প্রায় ০.১০ বর্গ কিঃমিঃ (১০ হেক্টর) অঞ্চল জুড়ে এই পুরাকীর্তিটি অবস্থিত। প্রত্নতাত্ত্বিক এই নিদর্শনটির ভূমি পরিকল্পনা চতুর্ভূজ আকৃতির। এটি বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের প্লাবন সমভূমিতে অবস্থিত, প্লাইস্টোসীন যুগের বরেন্দ্র নামক অনুচ্চ এলাকার অন্তর্ভুক্ত। মাটিতে লৌহজাত পদার্থের উপস্থিতির কারণে মাটি লালচে। অবশ্য বর্তমানে এ মাটি অধিকাংশ স্থানে পললের নিচে ঢাকা পড়েছে। পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৩০.৩০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত পাহাড়সদৃশ স্থাপনা হিসেবে এটি টিকে রয়েছে। স্থানীয় লোকজন একে গোপাল চিতার পাহাড় আখ্যায়িত করত; সেই থেকেই এর নাম হয়েছে পাহাড়পুর, যদিও এর প্রকৃত নাম সোমপুর বিহার।

মহাস্থানগড়
পুন্ড্রবর্ধন প্রাচীনতম নগরি,শিবগঞ্জ,বগুড়া।
মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী। এ ধবংসাবশেষ বগুড়া জেলা শহরের ১৩ কিঃমিঃ উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী পর্যায়ক্রমেমাটি ও ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত, বেস্টনী প্রাচীর ছাড়াও পূর্ব দিকে নদী ও অপর তিনদিকে গভীর পরিখানগরীর অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্বিকনিদর্শন হতে জানা যায় যে, কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল। দূর্গের বাইরে উত্তর ,পশ্চিম , দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিম ৭/৮ কিলোমিটারের মধ্যে এখনও বিভিন্ন ধরণের বহু প্রাচীন নিদের্শন রয়েছে যা উপ-শহরের সাক্ষ্য বহন করে। উল্লেখ্য, বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন। প্রখ্যাত বৃটিশ প্রত্নতত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ খৃষ্টাব্দেমহাস্থান গড়ের ধ্বংসাবশেষকে ফুয়েন সাঙ বর্ণিত পুন্ডু নগর হিসেবে সঠিকভাবে সনাক্ত করেন। ১৯২৮-১৯২৯ সালে মহাস্থানগড়ে সর্ব প্রথম প্রত্নতাত্তিক উৎখনন কার্য শুরু করা হয়। এসময় নগরীরর মধ্যে বইরাগির ভিটা মুনির ঘোন ও বাইরে গোবিন্দ ভিটা নামক ৩টিস্থানে খনন করা হয়।

দীর্ঘদিন পর ১৯৬০-১৯৬১ সালে এবং পরবর্তীতে ১৯৮৮ সাল হতে নিয়মিত ভাবে দূর্গের বিভিন্ন অংশ উৎখনন করা হয়। ১৯৯৩ হতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স সরকার যৌথভাবে মহাস্থানগড় খনন শুরু করায় এখানকার প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্র পায়। প্রথম পর্যায়ে ১৯৯৯ পর্যন্ত পূর্বদূর্গ প্রাচীরের মধ্যবর্তী এলাকায় খনন করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০০০ সালথেকে মাজারের পশ্চিম পাশে খনন কাজ করা হচ্ছে। দীর্ঘসময় ব্যাপি ব্যাপক অনুসন্ধান ও খননের ফলে দুর্গ নগরীর অভ্যন্তরে খৃস্টাব্দচতুর্থ শতক থেকে শুরু করে মুসলিম যুগ পর্যন্ত প্রায় নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বসতি নিদর্শন উম্মোচিত হয়েছে। ১৮টি স্তরে প্রাক মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও মুসলিম যুগের কাঁচা পাকা ঘর বাড়ী, রাস্তা, নর্দমা, নালা কুপ, মন্দির, মসজিদ, তোরণ, বুরুজ ইত্যাদি উম্মোচিত হয়েছে। এসব স্থাপত্যিক কাঠামো ছাড়াও আবিস্কৃত হয়েছে। তদানীন্তন নগর জীবনের বিভিন্ন অস্থাবর সাংস্কৃতিক দ্রব্রাদি যেমন মৌর্য যুগের টাপিযুক্ত শিলা খন্ড, ছাপাঙ্কিত রৌপ্য মুদ্রা ও ছাঁচে ঢালাতাম্র মুদ্রা, ব্লাক এন্ড বেচ চেয়ার, বুলেটেড ওয়ার, উত্তরাঞ্চলীয় কালো মসৃণমৃৎ পাত্র, শুংগ বৈশিষ্ট্য মন্ডি পোড়ামাটির ফলক, প্রস্ত্তর ও পোড়ামাটির মূর্তি স্বল্প মূল্যবান প্রস্ত্তর গুটিকা গোলক, জালের কাঠি এবং মাটির ও ধাবত দ্রব্যাদি, প্রচুর সাধারণ মৃৎপাত্র এবং আরবি উৎকীর্ণ লিপিযুক্ত একটি প্রস্ত্তর ফলক বিশেষ উল্লেখযোগ্য।বগুড়াশহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুন্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্র বিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়। বর্তমানে এলাকাটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত।


কুসুম্বা মসজিদ
সীমান্তবর্তী কৃষি নির্ভর বরেন্দ্র জেলা নওগাঁ। এ জেলায় রয়েছে প্রায় ৫২৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘কুসুম্বা মসজিদ’। স্থাপত্যশৈলী ও নন্দনতাত্ত্বিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে দেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো রয়েছে। 

বাংলাদেশে সুলতানি আমলের যত নিদর্শন আছে, তার মধ্যে অন্যতম নওগাঁর কুসুম্বা মসজিদ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় অনুযায়ী, ৫২৭ বছরের ঐতিহ্য ধারন করে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদটি। নওগাঁ জেলা শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে মান্দা উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের কুসুম্বা গ্রামে অবস্থিত কুসুম্বা মসজিদ। রাজশাহী মহাসড়কের মান্দা ব্রিজের পশ্চিম দিকে ৪০০ মিটার উত্তরে কুসুম্বা মসজিদটির অবস্থান। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী আসেন এই মসজিদটি একনজর দেখার জন্য। মসজিদটির উত্তর-দক্ষিণ দিকে রয়েছে প্রায় ১০০ বিঘার বিশাল দিঘী। এটি লম্বায় প্রায় ১২০০ ফুট ও চওড়ায় প্রায় ৯০০ ফুট। গ্রামবাসী এবং মুসল্লিদের খাবার পানি, গোসল ও অজুর প্রয়োজন মেটানোর জন্য এই দিঘীটি খনন করা হয়।

কুসুম্বা মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ৫৮ ফুট লম্বা, ৪২ ফুট চওড়া। চারদিকের দেয়াল ৬ ফুট পুরু। তার ওপর বাইরের অংশ পাথর দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। মসজিদের সামনের অংশে রয়েছে তিনটি দরজা। আকারে দুটি বড়, অন্যটি অপেক্ষাকৃত ছোট। দরজাগুলো খিলানযুক্ত মেহরাব আকৃতির। মসজিদের চার কোনায় রয়েছে চারটি মিনার। মিনারগুলো মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত উঁচু ও আট কোনাকার। ছাদের ওপর রয়েছে ছয়টি গম্বুজ। যা দুটি সারিতে তৈরি।

কুসুম্বা মসজিদের দ্বিতীয় সারির গম্বুজগুলো আকৃতির দিক দিয়ে ছোট। ১৮৯৭ সালের এক ভূমিকম্পে তিনটি গম্বুজ নষ্ট হয়েছিল। পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটি সংস্কার করে। মসজিদের ভেতর দুটি পিলার রয়েছে। উত্তর দিকের মেহরাবের সামনে পাথরের পিলারের ওপর তৈরি করা হয়েছিল একটি দোতলা ঘর। এই ঘরটিকে বলা হতো জেনানা গ্যালারি বা মহিলাদের নামাজের ঘর।  সেখানে মহিলারা নামাজ পড়তেন।

মসজিদের ভেতর পশ্চিমের দেয়ালে রয়েছে তিনটি চমৎকার মেহরাবের ওপর ঝুলন্ত শিকল, ফুল ও লতাপাতার কারুকাজ করা। এ কারুকার্যগুলো খুব উন্নতমানের। দক্ষিণ দিকের মেহরাব দুটি আকারে বড়। উত্তর দিকের মেহরাবটি ছোট। মসজিদটির উত্তর-দক্ষিণ দিকে দুটি করে দরজা। মসজিদের সম্মুখভাগে রয়েছে খোলা প্রাঙ্গণ ও পাথর বসানো সিঁড়ি, যা দিঘীতে গিয়ে নেমেছে। মসজিদের প্রবেশ পথের একটু দূরে বাক্স আকৃতির একখণ্ড কালো পাথর দেখা যায়। ধারণা করা হয়, এটি একটি কবর। কথিত আছে, সবরখান বা সোলায়মান নামে ধর্মান্তরিত এক মুসলমান মসজিদটি নির্মাণ করেন।


পুঠিয়া রাজবাড়ী
রাজশাহীর যে স্থানটি পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করে সেটি নি:সন্দেহে পুঠিয়া। রাজা পিতাম্বর মূলত পুঠিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ষষ্ঠদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে পুঠিয়ায় রাজধানী স্থাপন করেন। একাধিক সুদৃশ্য ইমারত নির্মাণসহ জলাশয় খনন করেন। রাণী ভূবনময়ী বিশাল একটি জলাশয়ের সম্মুখে ভূবনেশ্বর শিবমন্দির নির্মাণ করেন (১৮২৩-১৮৩০)। এটি পঞ্চরত্ন শিবমন্দির নামেও খ্যাত। বাংলাদেশে বিশালাকারের সুউচ্চ ও বহু গুচ্ছচূড়া বিশিষ্ট শিবমন্দির গুলোর মধ্যে পুঠিয়ার পঞ্চরত্ন শিবমন্দিরটি স্থাপত্যশৈলীতে শ্রেষ্ঠত্বের দাবী রাখে। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান একটি স্থাপত্য নির্দশন। 

পুঠিয়ায় অন্যান্য নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে চৌচালা গোবিন্দমন্দির, পঞ্চরত্ন গোবিন্দমন্দির, দোলমন্দির বা দোলমঞ্চ, দোচালা ছোট আহ্নিকমন্দির, জগদ্বাত্রীমন্দির, রথমন্দির ইত্যাদি। পুঠিয়ার জমিদারগণ অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীতে এই মন্দিরগুলি নির্মাণ করেছিলেন। বিশালাকারের একই চত্ত্বরে এরূপ মন্দির কমপ্লেক্সে একমাত্র পুঠিয়া ব্যতীত বাংলাদেশের আর কোথাও দেখা যায় না। একমাত্র পশ্চিম বাংলার (ভারত) বাঁকুড়া জেলাধীন বিষ্ণুপুরে এরূপ মন্দির কমপ্লেক্স রয়েছে। পুঠিয়া রাজবাড়ী, মন্দিরসমূহ, দীঘি ও জলাশয়সহ রাজবাড়ীর পুরা চত্ত্বরটি পর্যটকদের বেড়ানোর জন্য একটি আদর্শ ও আকর্ষণীয় স্থান। রাজশাহীর উল্লেখিত ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো ব্যতীত এই জেলায় বেশ কিছু পুরাতাত্ত্বিক নির্দশন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সেন বংশীয় রাজা বিজয় সেন পাল রাজা মদনপাল দেবকে যুদ্ধে হারিয়ে রাজশাহী অঞ্চলে তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজ্যের প্রথম রাজশাহী স্থাপন করেছিলেন, যেটি বিজয়নগর বা বিজয়পুর বলে খ্যাত। প্রাচীন কবি ধোয়ীর “পবনদূত” নামক কাব্যে সেন রাজাদের রাজশাহী বিজয়পুর বলে উল্লেখ রয়েছে। খ্যাতনামা ঐতিহাসিক রমাপ্রসাদ চন্দের মতে বিজয়নগরই হচ্ছে কাব্যের বিজয়পুর।


পরিকল্পনাঃ 
যাচ্ছি বগুড়ার মহাস্থানগড়, রাজশাহীর পুঠিয়া, বরেন্দ্র ভুমি, বরেন্দ্র জাদুঘর, নওগাঁয় অবস্থিত কুসুম্বা, পাহাড়পুরের স্থাপত্ব ও প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন দেখতে।



যাত্রাঃ ২৮ আগস্ট  
 
দলঃ - ১৯ জন

প্ল্যাকেজঃ
জনপ্রতি ৮০০০/- ৩/৪ জনের রুম
জনপ্রতি ৮৫০০/- ২ জনের রুম
শিশু ২-৩ (বাবা মায়ের সাথে বসবে খাবে ঘুমাবে

যা যা থাকবেঃ
ঢাকা বগুড়া রাজশাহী নওগাঁ সিরাজগঞ্জ নাটোর এসি মাইক্রোতে যাতায়াত
স্ট্যান্ডার্ড লাঞ্চ + ডিনার + ব্রেকফাস্ট
সুযোগ পেলে নদীর ধারে হাটাহাটি ফুচকা
বাংলোতে ১ রাত থাকা।
২টি দুপুর ও ১ টি রাতের খাবার, ফেরার দিনে সকালের খাবার
প্রত্নতাত্বিক গাইড
মিনারেল পানি

যা যা থাকছে নাঃ
হাইওয়েতে কোনো খাবার
জাদুঘরের এন্ট্রি ফি
বার বি কিউ
মেডিসিন
ব্যাক্তিগত খরচ
খাবার বাইরে অতিরিক্ত চা/ কফি/ স্নাকস / পানি

## নিশ্চিত যেতে চান যারা ( সিট থাকা সাপেক্ষে ) জনপ্রতি ৩০০০ টাকা অগ্রিম সহ আসন নিশ্চিত করবেন (বিকাশে চার্জ সহ দিতে হবে)
* টাকা পাঠাতে পারবেন ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও

রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি
==========
কনফার্মেশনের জন্য অগ্রীম ৩০০০/- টাকা প্রদান করতে হবে।
টাকা পাঠানোর পর টেক্সট করবেন।
01711978072 পারসোনাল বিকাস

**#** সকল অবস্থায় Traveler’s Whistle 'র সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত ।

নোটঃ
১.কিছু জানতে বা জানাতে কমেন্ট করুন, কোনো প্রশ্ন বা কনফিউশন থাকলে কমেন্ট করে রাখাই উত্তম, আমাদের প্রশ্নোত্তর বাকিদের কাজে দিতে পারে।
২. চিপস বা স্যালাইন, চকোলেট, বিস্কিটের প্যাকেট নিজের পকেটে বা ব্যাগে ভরে রাখবেন, পরে নিদিৃষ্ট স্থানে ফেলে দেয়ার জন্য।
৩. নিশ্চিত যারা যাবো তাদের একটি গ্রুপ চ্যাটবক্স করে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

❑ ❑ ** গুরুত্বপূর্ণ **
# সব থেকে জরূরী, ট্রিপ ডিটেইলস টা মনোযোগ দিয়ে পড়া।
# প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা এক্সিডেন্টাল কোনো ইস্যুতে খরচ বেড়ে গেলে সেই বর্ধিত খরচ আমরা সবাই মিলেই বহন করবো।
# প্ল্যানের মধ্যে নতুন কোনো প্ল্যানের আবদার না করার বিশেষ অনুরোধ।
# অপ্রয়োজনীয় সাহস দেখানো যাবেন না।
# আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অবশ্যই ঢাকা থেকে নিয়ে রওনা দিবেন।
# প্রয়োজনীয় কাজে যথাসম্ভব হেল্প করা মানসিকতা থাকা প্রয়োজন।
# শেষ মুহুর্তে সফর বাতিল করলে বুকিং মানি ফেরত দেয়া হবে না।

❑ ❑ সতর্কতাঃ
# যেকোনো ধরনের মাদক সম্পুর্ণভাবে নিষিদ্ধ
.

.
প্রয়োজনেঃ
সজীব
০১৭১১৯৭৮০৭২
ট্রাভেলার্স হুইসেল
- **Event URL**: https://allevents.in/mymensingh/প্রত্নতত্ত্ব-ভ্রমণে-পুন্ড্রনগর-সোমপুরবিহার-ও-পুঠিয়া/200030347735412
- **Event Categories**: 
- **Interested Audience**: 
  - total_interested_count: 213

## Ticket Details


## Event venue details

- **city**: Mymensingh
- **state**: BD
- **country**: Bangladesh
- **location**: উত্তরবঙ্গ
- **lat**: 24.937804171252
- **long**: 89.106643348932
- **full address**: উত্তরবঙ্গ, Mymensingh, Bangladesh

## Event gallery

- **Alt text**: প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া
  - **Image URL**: https://cdn-az.allevents.in/events8/banners/2cfe959e2dd5ff922a7d391a7ea23ac76396296c070eea8492ce982c7c02161a-rimg-w1200-h1600-dcd8e8f8-gmir?v=1787550533

## FAQs

- **Q**: When and where is প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া being held?
  - **A:** প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া takes place on Fri, 28 Aug, 2026 at 06:00 am to Sat, 29 Aug, 2026 at 09:59 pm at উত্তরবঙ্গ, Mymensingh, Bangladesh.
- **Q**: Who is organizing প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া?
  - **A:** প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া is organized by Syfur Rahman Sajib.

## Structured Data (JSON-LD)

```json
[
    {
        "@context": "https://schema.org",
        "@type": "Event",
        "name": "প্রত্নতত্ত্ব ভ্রমণে পুন্ড্রনগর সোমপুরবিহার ও পুঠিয়া",
        "image": "https://cdn-az.allevents.in/events8/banners/2cfe959e2dd5ff922a7d391a7ea23ac76396296c070eea8492ce982c7c02161a-rimg-w1200-h1600-dcd8e8f8-gmir?v=1787550533",
        "startDate": "2026-08-28",
        "endDate": "2026-08-29",
        "url": "https://allevents.in/mymensingh/প্রত্নতত্ত্ব-ভ্রমণে-পুন্ড্রনগর-সোমপুরবিহার-ও-পুঠিয়া/200030347735412",
        "location": {
            "@type": "Place",
            "name": "উত্তরবঙ্গ",
            "address": {
                "@type": "PostalAddress",
                "name": "উত্তরবঙ্গ, Mymensingh, Bangladesh",
                "addressLocality": "Mymensingh",
                "addressRegion": "BD",
                "addressCountry": "BD"
            },
            "geo": {
                "@type": "GeoCoordinates",
                "latitude": "24.937804171252",
                "longitude": "89.106643348932"
            }
        },
        "eventAttendanceMode": "https://schema.org/OfflineEventAttendanceMode",
        "description": "পাহাড়পুর বোদ্ধবিহার।\nপাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ",
        "organizer": [
            {
                "@type": "Organization",
                "name": "Syfur Rahman Sajib",
                "url": "https://allevents.in/org/syfur-rahman-sajib/2543240"
            }
        ]
    }
]
```